মেনু নির্বাচন করুন

অধ্যক্ষের বানী



দুটো শ্লোগানকে আমি অন্তরে ধারণ করি। (ক) কারিগরি শিক্ষা নিন, বদলে যাবে আপনার দিন। (খ) কারিগরি শিক্ষা নিলে, বিশ্বজুড়ে কর্ম মিলে।আমাদের দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বর্তমানে কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। প্রতি বছর দেশে বাইশ লক্ষ যুবক-যুবতী শ্রম বাজারে প্রবেশ করে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক যে, খুব কম সংখ্যক যুবক-যুবতীই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে থাকে। আমরা যদি শিল্পোন্নত দেশগুলোর(জাপান,চীন,তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া) দিকে তাকাই তাহলেই দেখতে পাবো যে, তাদের এই উন্নয়ন ঘটেছে শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা এবং দেশের যুব সমাজকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে।বাংলাদেশে আগামী কয়েক বছরে ১০০ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে(কাজ শুরু হয়ে গেছে)। ঐ অঞ্চল সমূহে লক্ষাধিক শিল্প কারখানা স্থাপিত হবে এবং ঐ সব শিল্প কারখানায় আমার জানা মতে এক কোটি সাতাশ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।আর ঐ সব শিল্প কারখানার উৎপাদন শাখায় সিংহভাগই কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন হবে। আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা যদি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরিত করতে পারে তবে তারা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যমেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

       তাই এদেশের জনগনের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, আপনাদের সন্তানদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত করুন, তাদেরকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলুন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধনে কার্যকর ভূমিকা রাখুন।

    ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট একটি উল্লেখযোগ্য এবং গুরুত্ব পূর্ণ। কেননা ২০-৪৫ বৎসর বয়সী জনগোষ্টি তারা কর্মক্ষম বা কাজ করার সামর্থ্য রাখে। এই জনগোষ্টিকে দক্ষতা দিতে পারলেই দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে নেওয়া যাবে। সে লক্ষে বর্তমান সরকার ২০৪১  উন্নত রাস্ট্র হিসাবে তৈরি তরার এক অভাবনীয় সুযোগ পেয়েছেন এবং তাকে কাজে লাগাতেই সকল ধরণের কর্মসুচি গ্রহন করে দেশকে পরিকল্পিত ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার ফলশ্রুতিতে কারিগরি শিক্ষার  সম্প্রসারণ করছেন। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  বা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করছেন। আশা করা যাচ্ছে আগামী ২-৩ বৎসরের মধ্যে সবগুলি কারিগরি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করলে দেশেরে চেহারা আমুল পরিবর্তন ঘঠবে এবং বিপুল পরিমান কর্মসংস্থান হবে। ইনশা আল্লাহ।

 

ড. প্রকৌ. মো: আবুল হাশেম